ই-কমার্সে সরকারি অবকাঠামো সর্বোচ্চ ব্যবহারের পরামর্শ

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪০  
কোভিড মহামারিতে ইন্টারনেট ভিত্তিক বাণিজ্য বিপদের বন্ধু হয়েছে। আর যে ভাবে ই-কমার্সের বিস্তৃতি হচ্ছে তাতে ২০২৫ সাল নাগদ এই খাত থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী। আর আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল পেমেন্ট সুইচ গেটওয়ে ডেভেলপমেন্ট করায় দেশে আজ ৯ কোটি মানুষ মোবাইলে আর্থিক লেনদেন করতে পারছেন। গত ১১ মাসে এই খাতে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হলেও ২০২৫ সাল নাগাদ এই সংখ্যা ৫ লক্ষে পৌঁছবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। বুধবার ‘ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ নিয়ে আয়োজিত ওয়েবিনারে এমনটাই জানিয়েছেন দুই মন্ত্রী। অপরদিকে আস্থা ধরে রাখতে এফ কমার্স-কে ই-কমার্সের মূল ধারায় অন্তর্ভূক্তির জন্য আহ্বান জানান এই খাতের অংশীজনেরা। একইসেঙ্গে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে ক্রসবর্ডার ই-কমার্স জনপ্রিয় করতে নীতিগত সমর্থনের। দারাজ বাংলাদেশের আয়োজনে ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন জাবেদ সুলতান পিয়াস। আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এবং সরকারের সহযোগিতাসহ ই-কমার্সের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির। এক্ষেত্রে সরকারের অবকাঠামোগত লজিস্টিক বিষয় কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। ই-কমার্স খাতের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার বিষয়ে উপস্থিত দুই মন্ত্রীর কাছে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল। এসময় একটি ডিজিটাল কমার্স ইনস্টিটিউট বা বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়াও ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার বিষয়ে সরকারের কাছে বিনিয়োগ বান্ধব অবস্থা ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদুল হক।